vvvv



Powered by Blogger.
Latest Post
Showing posts with label Label 1. Show all posts
Showing posts with label Label 1. Show all posts

সুস্থতার জন্য প্রতিদিন খান রসুন

Written By Jibon Islam on Monday, August 22, 2016 | 1:09:00 AM

প্রতিদিন এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ থেকে। যদিও খেতে খুব একটা সুস্বাদু নয় এটি, তবে প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করা এই উপাদানটি আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। তবে কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে রসুন খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেয়া জরুরি। জেনে নিন রসুনের গুণ সম্পর্কে- ১. রসুন নিয়মিত খেলে ক্ষুধা বাড়ে। ২. ডায়রিয়া থেকে মুক্তি পেতে রসুন খেতে পারেন। ৩. বদহজমের সমস্যা হলে নিয়মিত রসুন খেলে সমস্যা দূর হবে। ৪. গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পেতে রসুন কার্যকর। ৫. রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে রসুন। ৬. লিভার ও ব্লাডার সুস্থ রাখে এটি।

যেভাবে কিডনি ভালো রাখবেন

শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশের মধ্য কিডনি অন্যতম। মানবশরীরের চালিকা শক্তি এটি। আপনার শরীরে শক্তি তৈরি থেকে শুরু করে রক্ত প্রবাহ ঠিক রেখে শরীরকে সুস্থ রাখে কিডনি। তবে উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট, বেক পেইন, অস্বাভাবিক স্বাস্থ্যহানি কিডনিসংক্রান্ত রোগের মূল কারণ। তাই জেনে রাখুন কিডনি সুস্থ রাখার সহজ কৌশল সমূহ। প্রচুর পানি পান করুন : পানি শরীরের জন্য অত্যান্ত জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে নানা রোগ বাসা বাধঁতে পারে। তার মধ্য কিডনিজনিত সমস্যা অন্যতম। যারা ব্যায়াম বা কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন তাদের দিনে কমপক্ষে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করা উচিত। কিংবা গরমের সময় যখন আপনি প্রচুর পরিমাণে ঘামছেন এবং আপনার শরীর থেকে পানি বের হয়ে যাচ্ছে সেই সময়েও সৃষ্টি হতে পারে কিডনিজনিত নানা সমস্যা। রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন : উচ্চ রক্তচাপ শরীরের শিরাসমূহকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর পর্যাপ্ত রক্তের অভাবে দেখা দেয় কিডনিজনিত সমস্যা। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। প্রতিদিন নিকটস্থ ডাক্তারে সাহায্য নিয়ে রক্তচাপ মেপে লিখে রাখুন এবং তারতম্য বেশি হলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রতিদিন ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন : সপ্তাহে নিয়ম করে ত্রিশ মিনিটের ব্যায়াম আপনাকে করে তুলতে পারে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। ব্যায়াম আমাদের শরীরে সমস্ত স্থানে রক্তকে প্রবাহ করতে সাহায্য করে যা কিডনিকে রাখে সুস্থ। প্রচুর শাকসবজি খান : সবুজ ফলমূল আর শাকসবজি কেবল আপনাকে সুন্দর স্বাস্থ্য উপহার দেয় না, এটি আপনার উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে কিডনিকে রাখে সুস্থ এবং আপনাকে রাখে প্রাণচঞ্চল। লবণ পরিহার করুন : লবণ উচ্চ রক্ত চাপের অন্যতম কারণ। এটি কিডনিতে থাকা ছোট ছোট শিরাসমূহকে নষ্ট করে ফেলে। যা আপনার হজম করার ক্ষমতাকেও বিনষ্ট করে। তাই রক্ত চাপ বৃদ্ধি করে এমন খাবার থেকে দূরে থাকুন এবং খাবার লবণ আলাদা খাবার থেকে বিরত থাকুন।

শরীরের নানা সমস্যা মেটায় মধু

রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে মধুর অশেষ উপকারিতা রয়েছে। এমনকী, বহু রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষমতাও মধুর রয়েছে বলে মনে করেন অনেক ডাক্তারও। আপাতত, জেনে নিন মধুর কয়েকটি অনন্য উপকারিতা— কর্মশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক : মধুতে থাকে প্রাকৃতিক শর্করা। এই শর্করা কর্মশক্তি জোগান দেয় শরীরে। মাংসপেশির ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে : অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ক্লান্তি বোধ করছেন? এক চামচ মধু খেয়ে নিন। দেখবেন, প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে মাংসপেশির ক্লান্তি দূরীভূত হবে। এই প্রক্রিয়ায় ক্রীড়াবিদরাও ক্লান্তি দূর করে থাকেন। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে : মধু মিষ্টি হলেও ব্লাড সুগারের রোগীরা নিশ্চিন্তে মধু খেতে পারেন। এতে ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজের মাত্রা যথাযথ থাকে বলে সুগার নিয়ন্ত্রণেও মধু সহায়তা করে। কাশি কমাতে সাহায্য করে : মধু গলায় আরাম দেয় ও যেসব ব্যাকটেরিয়ার কারণে কাশি হয় তাদের মেরে ফেলে। কাটা-ছড়া সারাতে সাহায্য করে : শরীরের কোথাও কেটে বা ছড়ে গেলে জায়গাটা জলে ধুয়ে নিশ্চিন্তে সেখানে মধুর একটা প্রলেপ লাগিয়ে দিতে পারেন। মধুর অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণাবলী রয়েছে। ছোটখাটো পুড়ে যাওয়া সারাতে সক্ষম : শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে সেখানে মধু লাগিয়ে দিন। এতে যে শুধু জ্বালাভাব কমবে তা-ই নয়, পোড়া জায়গায় কোনও ইনফেকশনের সম্ভাবনাও কমবে। নিদ্রাহীনতা কমাতে সহায়ক : রাত্রে ভাল ঘুম হচ্ছে না? শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে দু’-তিন চামচ মধু গুলে খেয়ে শুয়ে পড়ুন। দ্রুত ঘুম চলে আসবে। ত্বক ভালো রাখে : ত্বকের কোথাও কালো কালো দাগ হয়ে গিয়েছে? রোজ রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে জায়গাটিতে একটু মধু লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন। পরের দিন সকালে হালকা উষ্ণ জলে জায়গাটা ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, কয়েকদিন পরেই উপকার পাবেন। ওজন কামতে সাহায্য করে : ভোরবেলা হালকা গরম জলে একটু লেবু, আর এক চামচ মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেয়ে নিন। নিয়মিত এই অভ্যাসের ফলে ওজন কমবে। হজমের সহায়ক : ভারি খাওয়াদাওয়ার আগে দু’চামচ মধু খেয়ে নিন। খাবার হজম হবে তাড়াতাড়ি।

পাস্তা তৈরির ঘরোয়া রেসিপি

পাস্তা খেতে ভালোবাসেন না এই রকম মানুষ বোধ হয় কমই আছে. পাস্তা একটি মজাদার খাবার সঙ্গে সুস্বাদুও বটে এটি, ইটালির একটি জনপ্রিয় খাবার। আমাদের দেশে যেমন প্রধান খাবার হিসেবে ভাত খাওয়া হয়, ইটালি সহ বিশ্বের অনেক দেশেই পাস্তা খাওয়া হয় প্রধান খাবার হিসেবে। পাস্তায় আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। আর তাই ভাতের বিকল্প হিসেবে অনায়েসেই খাওয়া যায় এই খাবারটি। তাছাড়া বিভিন্ন রকম সবজি ও মশলার মিশ্রণে পাস্তা হয়ে ওঠে আরো বেশি পুষ্টিকর। পাস্তার অসাধারণ স্বাদ ও রংচঙে সবজির সংমিশ্রনের কারণে ছোট-বড় সবাই পছন্দ করে এই ভিন্ন স্বাদের খাবারটি। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরে পাস্তা তৈরির সহজ রেসিপি। উপকরণঃ পৌনে দুই কাপ ময়দা, ৬ টি ডিম, ৪ টেবিল চামচ অলিভওয়েল, লবণ প্রণালীঃ প্রথমে চালুনী দিয়ে ময়দা চেলে নিন ভালো করে। একটি পাত্রে ময়দাগুলো রাখুন। ময়দার উপরে ডিম, অলিভ ওয়েল ও লবণ দিন। কাঁটা চামচ দিয়ে ডিমের কুসুম ফাটিয়ে নিন। এরপর পুরো মিশ্রনটি ভালো করে ময়ান করে নিন। ময়ানটি মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত সেটাকে টানুন ও ময়ান করুন। খুব ভালো করে ময়ান করা হয়ে গেলে ডো টা কে দুই ভাগে ভাগ করে বলের মত আকৃতি দিয়ে রাখুন। ৫ মিনিট রেখে দিন ডো গুলোকে। এরপর রুটি বেলার পিড়িতে সামান্য শুকন ময়দা ছিটিয়ে পাতলা করে বেলে নিন ডো গুলোকে। এরপর পাস্তা কাটার/পিজা কাটার/ ছুরি দিয়ে পছন্দ মত আকৃতিতে কেটে নিন পাস্তা। আপনার পাস্তা এবার রান্না করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলো। গ্যাসে গরম জলে পরিমাণমত লবণ দিন। ফুটন্ত লবণ জলে মাত্র ৪/৫ মিনিট রাখলেই পাস্তা সেদ্ধ হয়ে যাবে ভালো করে। এরপর পছন্দের টপিং, চিজ, মশলা ও সস দিয়ে স্বাদ মত বানিয়ে পরিবেশন করুন ঘরে বানানো সুস্বাদু পাস্তা। ঘরে তৈরী পাস্তা খেতে খুবই তাজা ও সুস্বাদু হয়। তাই আজই বানিয়ে ফেলুন মজাদার পাস্তা। পাস্তা কেটে নেওয়ার পর ৩/৪ ঘন্টা শুকিয়ে বাক্সে ভরে ফ্রিজে রাখলে ৪দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। এছাড়াও সেদ্ধ করে বাক্সে ভরে ফ্রিজে রাখলেও কয়েকদিন ভালো থাকে এই পাস্তা।

খেতে বসে গলায় কাঁটা ফুটলে যা করণীয়

খেতে বসে গলায় মাছের কাঁটা ফোটেনি এমন বাঙালি বোধহয় খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেকে এমনও আছেন যারা মাছের কাঁটা ঠিকমতো বেছে খেতে পারেন না। খেতে বসে অনেক কথা বলেন। কেউ আবার খুব তাড়াহুড়ো করে খান। আর সেই অসাবধানতাতেই মাছের কাঁটা গলায় ফুটে যায়। তারপরই শুরু হয় যত বিপত্তি। গলার মধ্যে শুরু হয় অস্বস্তি। এই অস্বস্তি কাটাতে অনুসরণ করুন কিছু পদ্ধতি। কোমল পানীয় : বাড়িতে কোক জাতীয় কোমল পানীয় থাকলে তা খেতে পারেন। এটি কাঁটা নামানোর সবচেয়ে আধুনিক পদ্ধতি। গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে এক নিশ্বাসে যতটা সম্ভব কোমল পানীয় খেয়ে নিন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে। অলিভ অয়েল : তেল পিছল পদার্থ। আর অলিভ অয়েল কাঁচা খেলেও ক্ষতি নেই। তাই বাড়িতে যদি অলিভ অয়েল থাকে খেয়ে নিন ১ চামচ। কাঁটা পিছলে গলা থেকে নেমে যাবে। পাতি লেবু : মাছের কাঁটা নিমেষে নরম করে তুলতে পারে পাতি লেবু। তাই গলায় কাঁটা ফুটলে আগে একটা লেবু কাটুন। লবনে মাখিয়ে রস খেয়ে নিন। কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে গলা দিয়ে। কলা : কলা পিচ্ছিল। তাই গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে আগেই একটা কলা খেয়ে নিন। কখন গলা থেকে কাঁটা নেমে যাবে টেরই পাবেন না। ভিনেগার : গলায় ফুটে থাকা মাছের কাঁটা নামাতে দারুণ কাজে দেয় ভিনেগার। পানির সঙ্গে সামান্য ভিনেগার মিশিয়ে খেলে আটকে থাকা কাঁটা খুব সহজে নেমে যায়। অনেকটা পাতি লেবুর মতো কাজ করে। হোমিওপ্যাথি ওষুধ : বাড়িতে এক শিসি সাইলেশিয়া রাখুন। এই হোমিওপ্যাথি বড়ি গলায় ফুটে থাকা মাছের কাঁটা, বিশেষ করে কই মাছের খতরনাক কাঁটা গলিয়ে যন্ত্রণামুক্ত করতে পারে আপনাকে। সাদা ভাত : সাদা শুকনো ভাতের ছোটো ছোটো দলা বানিয়ে চটপট পানি দিয়ে গিলে ফেলতে হবে। মনে রাখবেন, শুধু শুধু সাদা ভাত খেলে গলায় আটকে থাকা জেদি কাঁটা নামাতে পারবেন না। পানি : উপরে উল্লেখিত কোন উপাদানই যদি হাতের কাছে না থাকে, তা হলে অনেক পরিমাণ পানি খেয়েই গলা থেকে কাঁটা নামাতে হবে আপনাকে। ভালো হয় যদি, হালকা গরম পানিতে সামান্য লবন মিশিয়ে খান। তাতে কাঁটা নরম হয়ে তাড়াতাড়ি গলা থেকে নেমে যাবে। আপনিও তাড়াতাড়ি কাঁটা ফোটার যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হবেন।

কলা’ই যখন ঘুমের মহৌষধ!!!

কলা’ই হচ্ছে ঘুমের মহৌষধ। মাত্র ১টি কালাই এনে দিতে পারে আপনার অনিদ্রা সমস্যার সমাধান। প্রতি রাতেই বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করেই আপনার ভোর হয়ে যায়! দুচোখের পাতা আর এক করতে পারেন না? সারাটা দিন ঘুম-ঘুম ঘোরে ক্লান্তির বড় হাই তোলেন। অফিসে কাজের টেবিলে বসে ঢুলে পড়েন? আবার, রাতে বাড়ি ফিরে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি, ঘুম ফুড়ুত্! হতে পারে আপনি অনিদ্রার শিকার। বিভিন্ন শিফটে কাজ করার দরুনও আপনার রাতের ঘুম এভাবে চৌপাট হতে পারে। মেজাজ হয়ে যায় খিটখিটে। একটা সময় বাধ্য হয়েই ভরসা করতে হয় ঘুমের ওষুধে। যদি রাতের ঘুম নিয়ে সত্যি এমন সমস্যায় ভোগেন, গাদাগুচ্ছের ঘুমের ওষুধ না-কিনে সে টাকায় বাড়িতে ফ্রেশ কলা কিনে আনুন। তাতেই কাজ দেবে। তবে, শুধু কলা খেলে কাজ হবে না। একটু কষ্ট করে কলা দিয়ে বানিয়ে নিতে হবে একটি চা- অর্থাৎ ‘ব্যানানা টি’। গবেষকদের মতে, বিশেষত কলার খোসাতেও থাকে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম ঘুমের ব্যাঘাত দূর করে। এর সঙ্গে পটাসিয়াম যোগ হলে, আপনাকে রিল্যাক্স রাখে। তবে যে কোনো কলা কিনলেই হবে না। চেষ্টা করুন ১০০ শতাংশ জৈব চাষের কলা কিনতে। অজৈব কলায় প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক থাকে। একটু খুঁজলে বাজারে জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা কলা দুর্লভ নয়। কৃত্রিম ভাবে অর্থাত্ কার্বাইডে পাকানো কলাও এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষত ব্যানানা চা বানাতে যারা কলার সাথে আরও ভালো কাজের জন্য কলার খোসাও দিতে চান, তাদের অর্গানিক অর্থাত্ জৈব কলাই কিনে আনতে হবে। চা বানানো কষ্টকর কিছু নয়। যে কেউ-ই বানাতে পারবেন। এ জন্য যে যে উপকরণ লাগবে, তা আপনি আপনার কিচেনেই পেয়ে যাবেন। সবকিছু হাতের কাছে থাকলে ১০ মিনিটে তৈরি হবে এ চা। শুতে যাওয়ার আগে আপনাকে চায়ের মতোই পান করতে হবে। একটা পাত্রে কিছুটা পানীয় জল, একটা অর্গানিক কলা, এক চিমটে দারুচিনি গুঁড়ো দিয়ে দিন। এবার কলার দুপ্রান্তের কিছুটা কেটে ফেলে দিন। কলা টুকরো টুকরো করে কেটে পাত্রে রাখা পানি দিয়ে ১০ মিনিট ধরে ফোটান। কিছুক্ষণ রেখে জলটা ছেকে নিন। চায়ের কাপে নিয়ে এর মধ্যে এক চিমটে দারুচিনি গুঁড়ো মিশেয়ে গরম গরম খেয়ে বিছানায় শুতে যান। সেদ্ধকরা কলার টুকরো না-ফেলে সেটিও দারুচিনি গুঁড়ো মিশেয়ে খেয়ে নিতে পারেন। এতে কাজ আরও ভালো হবে। অকারণ অপচয় না-করাই ভালো। শোবার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফল টের পাবেন। অর্থাৎ ঘুম আসবে হুড়মুড়িয়ে।

ঈদে রূপচর্চা ৩ ফেসপ্যাকেই উজ্জ্বল ত্বক

ইরে বের হলেই রোদ ও ধুলাবালির অত্যাচার সহ্য করতে হয় প্রতিদিন। এছাড়া মাসজুড়ে রোজা রাখার ক্লান্তি তো রয়েছেই। এসবে ত্বক হয়ে পড়ে অনুজ্জ্বল। ঈদের দিন ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ঘরে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ঘরোয়া ফেসপ্যাকে উজ্জ্বল ত্বক আদা ও মধু এক টুকরা আদা পিষে ১ চা চামচ মধু মেশান। ভালো করে আদা-মধুর পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবু ও চিনি সমপরিমাণ চিনি ও লেবু একসঙ্গে মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে ঘষে ঘষে লাগান। মরা চামড়া দূর হয়ে উজ্জ্বল হবে ত্বক। ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কমলার রস কমলার রসে তুলার বল ডুবিয়ে ত্বকে লাগান চেপে চেপে। ২৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

দুই বাংলায় জয়া আহসান

সময়ের আলোচিত জয়া আহসান দুই বাংলার অভিনয় জগতের অন্যতম নাম। টিভি নাটকের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু হলেও বর্তমানে চলচ্চিত্রেই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় পর্দায় শুরুতে খুব একটা আলোচনায় না থাকলেও ‘গেরিলা’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া জাগান জয়া। শুধু তাই নয়, প্রশংসা পাওয়ার পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবিটিতে অভিনয় করে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। দেশীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনে সুবাস ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কলকাতাও অভিনয়ের সুযোগ পান। সেখানেও নিজের যোগ্যতার কথা জানান দেন জয়া। এরই মধ্যে কলকাতার বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছেন। কিছুদিন আগেই দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। পূর্ণদৈর্ঘ্যের পাশাপাশি চলতি বছর ‘ভালোবাসার শহর- সিটি অব লাভ’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এটিই তার প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্যে চলচ্চিত্র। এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ভালোবাসার শহর মূলত সাধারণ মানুষের জীবনের মানবিক গল্পের ছবি। আমি মনে করি এ দেশের প্রত্যেক মানুষেরই দেখা উচিত এই ছবিটি। কারণ আমাদের জীবনেরই গল্প ফুটে উঠেছে এতে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ভালোবাসার শহরে কাজ করে তৃপ্ত। এরই মধ্যে আকরাম খান পরিচালিত অনুদানের চলচ্চিত্র ‘খাঁচা’র কাজ শেষ করেছেন জয়া। পাশাপাশি কলকাতায় মনোজ মিশিগানের নির্দেশনায় ‘আমি জয় চ্যাটার্জি’ ছবির কাজে হাত দিয়েছেন তিনি। এতে জয়ার বিপরীতে অভিনয় করবেন আবীর চ্যাটার্জি। কলকাতায় তার অভিনীত আরো মুক্তির অপেক্ষায় আছে অরিন্দম শীল পরিচালিত ‘ঈগলের চোখ’ চলচ্চিত্রটি। ১২ আগস্ট ছবিটি মুক্তি পাবে। এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, এ ছবিটির গল্প একটু অন্যরকম। দর্শকের জন্য বিশেষ চমক রয়েছে। আশা করছি সবার ভালো লাগবে। এখন পর্যন্ত দু-দুবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন জয়া। নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত ‘গেরিলা’ (২০১১) এবং রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘চোরাবালি’ (২০১২) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, সত্যি বলতে কী ভীষণ ভালো লেগেছিল। ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমি আমার কাজের প্রতি ভালোলাগা ভালোবাসার প্রাপ্য সম্মান পেয়েছি। আমি তাতেই সন্তুষ্ট। টিভি পর্দায় ক্যারিয়ার শুরু হলেও এ মুহূর্তে চলচ্চিত্রের ব্যস্ততার কারণে সে জায়গাটি থেকে বিরতি নিয়েছেন জয়া। তবে সে টিভি অঙ্গনের প্রতি যে ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা সেটা কখনোই হারাননি। এ বিষয়ে জয়া, ছোট পর্দায়ই কিন্তু আমাকে আজকের জয়া আহসান হিসেবে তৈরি করেছে। সে কারণে ছোট পর্দার নিয়মিত যারা দর্শক তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি আপাতত আমি ছোট পর্দায় বিরতি নিয়েছি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের কারণেই। কয়েক বছর ধরে আমি ছোট পর্দার কাজ করছি না। সবচেয়ে বড় কথা হলো চলচ্চিত্রে কাজ করতে হলে সময়টা একটু বেশিই দিতে হয়। সবমিলিয়ে এ মুহূর্তে টিভি পর্দায় কোনো কাজ করা হচ্ছে না। ২০১০ সালে ‘ডুব সাঁতার’, ‘ফিরে এসো বেহুলা’ ২০১১ সালে ‘গেরিলা’, ‘চোরাবালি’, ২০১৩ সালে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী’ এবং সর্বশেষ ২০১৬ সালে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী টু’ ছবিতে অভিনয় করে নায়িকা হিসেবে আলোচনায় ছিলেন জয়া।

এই সময়ে চিত্রনায়িকা পপি

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পপির কাছে সাম্প্রতিক সময়ে তেমন ভালো কাজের প্রস্তাব না আসার কারণেই অনেকটা অভিমান নিয়ে আড়ালে রয়েছেন। পপি বলেন, আমি চলচ্চিত্রের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে মাধ্যমটিতে কাজ করছি। এখন একটু এখান থেকে দূরে আছি। সময় হলেই আবার নিয়মিত কাজ করব। আমি কোথাও হারিয়ে যাইনি। এই সময়ের প্রযোজক যারা চলচ্চিত্রে কাজ করার প্রস্তাব দিচ্ছেন তাদের বেশিরভাগকেই আমি চিনি না। অর্থাৎ পেশাদার প্রযোজক এখন নেই বললেই চলে। এমনকি আমার মনে প্রশ্ন জাগে, কারা এখন চলচ্চিত্রে প্রযোজনা করছেন। অবশ্যই সময়ের ধারায় অনেক কিছুর পরিবর্তন হবে। তবে সেই পরিবর্তনটা ভালো কিছুর জন্যই হওয়ার প্রত্যাশা করেন এই অভিনেত্রী। বড়পর্দায় অনেকদিন ধরে পপির উপস্থিতি নেই। অবশ্য শিগগিরই তার অভিনীত একটি ছবি সেন্সরে জমা পড়বে। ছবির নাম ‘সোনাবন্ধু’। ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে মাহবুবা শাহরীনের ‘হতাই’ উপন্যাস অবলম্বনে এ ছবির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানালেন তিনি। এ ছবিতে তার সহশিল্পী হিসেবে কাজ করছেন ডিএ তায়েব ও পরীমনি। তপন বসাকের প্রযোজনা ও শুভ টেলিফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত ‘সোনাবন্ধু’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন জাহাঙ্গীর আলম সুমন। ছবিটি নিয়ে পপি বলেন, এই ছবির কাজটা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আর অল্প কিছু কাজ হলেই এটি সেন্সরে জমা পড়বে। এদিকে বড় পর্দার পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে ছোট পর্দার নাটক-টেলিফিল্ম এবং বিজ্ঞাপনেও কাজ করছেন পপি। সবশেষ একটি বিস্কুট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে একটি বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে কাজ করেছেন। মুহাম্মাদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় নির্মিত এ বিজ্ঞাপনটি বর্তমানে বিভিন্ন টিভিতে প্রচার হচ্ছে। গত ঈদে ছোটপর্দার দর্শকের জন্য বিটিভির একটি অনুষ্ঠানে কাজ করেছিলেন পপি। অনুষ্ঠানের নাম ‘তারকাকথন’। নিমা রহমানের উপস্থাপনায় এটি প্রযোজনা করেছেন শরৎ কুমার সরকার। পপি অভিনীত বেশ কিছু ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এগুলো হলো ‘পৌষ মাসের পিরিতি’, ‘শর্টকাটে বড়লোক’, ‘লীলামন্থন’, ‘দুই ভাইয়ের যুদ্ধ’ ও ‘জীবন যন্ত্রণা’। এসব ছবি নিয়ে পপি বলেন, প্রতিটি ছবির কাজ শেষ। কোনো না কোনো কারণে ভালো এই ছবিগুলো অনেকদিন ধরেই মুক্তি পাচ্ছে না। আর্টিস্টের কাজ ঠিকমত চরিত্রের রূপায়ন করা বা যথাযথ অভিনয় করা। কেনো এই ছবিগুলো মুক্তি পাচ্ছে না এসব বিষয়ে পরিচালক বা প্রযোজকরা ভালো বলতে পারবেন। তবে আমি নিশ্চিত, এই ছবিগুলো দর্শকরা দেখলে অবশ্যই তাদের ভালো লাগবে। নতুন এক পপিকে আবিস্কার করবেন তারা।

পূর্ণিমাকে নিয়ে ধারাবাহিক ‘ক্যান্ডি ক্র্যাশ’

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে চলচ্চিত্রে এখন আর নিয়মিত কাজ করতে দেখা যায় না। সংসার নিয়েই তার ব্যস্ততা বেড়েছে। তবুও ঈদ কিংবা বিশেষ দিবসের দু-চারটি টিভি নাটকে মাঝেমধ্যে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে। তবে পূর্ণিমা ভক্তরা এবার তাকে একটু বেশি সময়ের জন্য পাবেন টেলিভিশনের পর্দায়। নতুন একটি ধারাবাহিক নাটকে কাজ শুরু করেছেন তিনি। নাম ‘ক্যান্ডি ক্র্যাশ’। পরিচালনা করছেন রেদওয়ান রনি। এ প্রসঙ্গে পূর্ণিমা বলেন, এরইমধ্যে এ ধারাবাহিকের কাজ শুরু হয়েছে। আমি দুদিন মাত্র শুটিং করেছি। ভালোই কাজ হচ্ছে। আশা করি, নতুন এ ধারাবাহিকটি সবার ভালো লাগবে। ‘ক্যান্ডি ক্র্যাশ’ ধারাবাহিকে আরও অভিনয় করছেন তৌসিফ মাহবুব, সুমন পাটওয়ারী, সাফা কবির, সাবিলা নূর ও সালমান মুক্তাদির। ধারাবাহিকটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ইকবাল হোসাইন চৌধুরী। পরিচালক বললেন, পূর্ণিমাকে নিয়ে অনেক দিন ধরেই কাজ করার ইচ্ছা ছিল। তাছাড়া এই চরিত্রের সঙ্গে পূর্ণিমা মানানসই। নতুন এ ধারাবাহিকটি নির্মাণ করছি নাগরিক টিভির জন্য। মাঝে কয়েকদিন শুটিং বিরতি থাকলেও ১১ আগস্ট থেকে এর কাজ টানা চলবে। এর আগেও কয়েকটি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন পূর্ণিমা। এর মধ্যে আছে জাহিদ হাসানের ‘লাল নীল বেগুনি’, মোস্তফা কামাল রাজের ‘ইডিয়ট’। উল্লেখ্য, এদিকে ইফতেখার আহমেদ ফাহমীর ‘টু বি কন্টিনিউড’ নামে একটি ছবিতে কাজ করেন পূর্ণিমা। তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন তাহসান। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের এ ছবিটির ডাবিং সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এ ছবির মাধ্যমে শিগগিরই বড় পর্দায় আবারও দেখা যাবে পূর্ণিমাকে।
 
Support : Creating Website | Jibon Template | bj Template
Copyright © 2013. সুন্দর বাংলা - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by bj Template
Proudly powered by Blogger