vvvv



Powered by Blogger.
Latest Post
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts

যেভাবে কিডনি ভালো রাখবেন

Written By Jibon Islam on Monday, August 22, 2016 | 1:09:00 AM

শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশের মধ্য কিডনি অন্যতম। মানবশরীরের চালিকা শক্তি এটি। আপনার শরীরে শক্তি তৈরি থেকে শুরু করে রক্ত প্রবাহ ঠিক রেখে শরীরকে সুস্থ রাখে কিডনি। তবে উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট, বেক পেইন, অস্বাভাবিক স্বাস্থ্যহানি কিডনিসংক্রান্ত রোগের মূল কারণ। তাই জেনে রাখুন কিডনি সুস্থ রাখার সহজ কৌশল সমূহ। প্রচুর পানি পান করুন : পানি শরীরের জন্য অত্যান্ত জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে নানা রোগ বাসা বাধঁতে পারে। তার মধ্য কিডনিজনিত সমস্যা অন্যতম। যারা ব্যায়াম বা কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন তাদের দিনে কমপক্ষে ৬-৮ গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস করা উচিত। কিংবা গরমের সময় যখন আপনি প্রচুর পরিমাণে ঘামছেন এবং আপনার শরীর থেকে পানি বের হয়ে যাচ্ছে সেই সময়েও সৃষ্টি হতে পারে কিডনিজনিত নানা সমস্যা। রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন : উচ্চ রক্তচাপ শরীরের শিরাসমূহকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আর পর্যাপ্ত রক্তের অভাবে দেখা দেয় কিডনিজনিত সমস্যা। তাই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। প্রতিদিন নিকটস্থ ডাক্তারে সাহায্য নিয়ে রক্তচাপ মেপে লিখে রাখুন এবং তারতম্য বেশি হলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রতিদিন ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলুন : সপ্তাহে নিয়ম করে ত্রিশ মিনিটের ব্যায়াম আপনাকে করে তুলতে পারে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। ব্যায়াম আমাদের শরীরে সমস্ত স্থানে রক্তকে প্রবাহ করতে সাহায্য করে যা কিডনিকে রাখে সুস্থ। প্রচুর শাকসবজি খান : সবুজ ফলমূল আর শাকসবজি কেবল আপনাকে সুন্দর স্বাস্থ্য উপহার দেয় না, এটি আপনার উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে কিডনিকে রাখে সুস্থ এবং আপনাকে রাখে প্রাণচঞ্চল। লবণ পরিহার করুন : লবণ উচ্চ রক্ত চাপের অন্যতম কারণ। এটি কিডনিতে থাকা ছোট ছোট শিরাসমূহকে নষ্ট করে ফেলে। যা আপনার হজম করার ক্ষমতাকেও বিনষ্ট করে। তাই রক্ত চাপ বৃদ্ধি করে এমন খাবার থেকে দূরে থাকুন এবং খাবার লবণ আলাদা খাবার থেকে বিরত থাকুন।

শরীরের নানা সমস্যা মেটায় মধু

রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে মধুর অশেষ উপকারিতা রয়েছে। এমনকী, বহু রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষমতাও মধুর রয়েছে বলে মনে করেন অনেক ডাক্তারও। আপাতত, জেনে নিন মধুর কয়েকটি অনন্য উপকারিতা— কর্মশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক : মধুতে থাকে প্রাকৃতিক শর্করা। এই শর্করা কর্মশক্তি জোগান দেয় শরীরে। মাংসপেশির ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে : অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ক্লান্তি বোধ করছেন? এক চামচ মধু খেয়ে নিন। দেখবেন, প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে মাংসপেশির ক্লান্তি দূরীভূত হবে। এই প্রক্রিয়ায় ক্রীড়াবিদরাও ক্লান্তি দূর করে থাকেন। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে : মধু মিষ্টি হলেও ব্লাড সুগারের রোগীরা নিশ্চিন্তে মধু খেতে পারেন। এতে ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজের মাত্রা যথাযথ থাকে বলে সুগার নিয়ন্ত্রণেও মধু সহায়তা করে। কাশি কমাতে সাহায্য করে : মধু গলায় আরাম দেয় ও যেসব ব্যাকটেরিয়ার কারণে কাশি হয় তাদের মেরে ফেলে। কাটা-ছড়া সারাতে সাহায্য করে : শরীরের কোথাও কেটে বা ছড়ে গেলে জায়গাটা জলে ধুয়ে নিশ্চিন্তে সেখানে মধুর একটা প্রলেপ লাগিয়ে দিতে পারেন। মধুর অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণাবলী রয়েছে। ছোটখাটো পুড়ে যাওয়া সারাতে সক্ষম : শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে সেখানে মধু লাগিয়ে দিন। এতে যে শুধু জ্বালাভাব কমবে তা-ই নয়, পোড়া জায়গায় কোনও ইনফেকশনের সম্ভাবনাও কমবে। নিদ্রাহীনতা কমাতে সহায়ক : রাত্রে ভাল ঘুম হচ্ছে না? শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে দু’-তিন চামচ মধু গুলে খেয়ে শুয়ে পড়ুন। দ্রুত ঘুম চলে আসবে। ত্বক ভালো রাখে : ত্বকের কোথাও কালো কালো দাগ হয়ে গিয়েছে? রোজ রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে জায়গাটিতে একটু মধু লাগিয়ে শুয়ে পড়ুন। পরের দিন সকালে হালকা উষ্ণ জলে জায়গাটা ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, কয়েকদিন পরেই উপকার পাবেন। ওজন কামতে সাহায্য করে : ভোরবেলা হালকা গরম জলে একটু লেবু, আর এক চামচ মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেয়ে নিন। নিয়মিত এই অভ্যাসের ফলে ওজন কমবে। হজমের সহায়ক : ভারি খাওয়াদাওয়ার আগে দু’চামচ মধু খেয়ে নিন। খাবার হজম হবে তাড়াতাড়ি।

কলা’ই যখন ঘুমের মহৌষধ!!!

কলা’ই হচ্ছে ঘুমের মহৌষধ। মাত্র ১টি কালাই এনে দিতে পারে আপনার অনিদ্রা সমস্যার সমাধান। প্রতি রাতেই বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করেই আপনার ভোর হয়ে যায়! দুচোখের পাতা আর এক করতে পারেন না? সারাটা দিন ঘুম-ঘুম ঘোরে ক্লান্তির বড় হাই তোলেন। অফিসে কাজের টেবিলে বসে ঢুলে পড়েন? আবার, রাতে বাড়ি ফিরে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি, ঘুম ফুড়ুত্! হতে পারে আপনি অনিদ্রার শিকার। বিভিন্ন শিফটে কাজ করার দরুনও আপনার রাতের ঘুম এভাবে চৌপাট হতে পারে। মেজাজ হয়ে যায় খিটখিটে। একটা সময় বাধ্য হয়েই ভরসা করতে হয় ঘুমের ওষুধে। যদি রাতের ঘুম নিয়ে সত্যি এমন সমস্যায় ভোগেন, গাদাগুচ্ছের ঘুমের ওষুধ না-কিনে সে টাকায় বাড়িতে ফ্রেশ কলা কিনে আনুন। তাতেই কাজ দেবে। তবে, শুধু কলা খেলে কাজ হবে না। একটু কষ্ট করে কলা দিয়ে বানিয়ে নিতে হবে একটি চা- অর্থাৎ ‘ব্যানানা টি’। গবেষকদের মতে, বিশেষত কলার খোসাতেও থাকে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম ঘুমের ব্যাঘাত দূর করে। এর সঙ্গে পটাসিয়াম যোগ হলে, আপনাকে রিল্যাক্স রাখে। তবে যে কোনো কলা কিনলেই হবে না। চেষ্টা করুন ১০০ শতাংশ জৈব চাষের কলা কিনতে। অজৈব কলায় প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক থাকে। একটু খুঁজলে বাজারে জৈব পদ্ধতিতে চাষ করা কলা দুর্লভ নয়। কৃত্রিম ভাবে অর্থাত্ কার্বাইডে পাকানো কলাও এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষত ব্যানানা চা বানাতে যারা কলার সাথে আরও ভালো কাজের জন্য কলার খোসাও দিতে চান, তাদের অর্গানিক অর্থাত্ জৈব কলাই কিনে আনতে হবে। চা বানানো কষ্টকর কিছু নয়। যে কেউ-ই বানাতে পারবেন। এ জন্য যে যে উপকরণ লাগবে, তা আপনি আপনার কিচেনেই পেয়ে যাবেন। সবকিছু হাতের কাছে থাকলে ১০ মিনিটে তৈরি হবে এ চা। শুতে যাওয়ার আগে আপনাকে চায়ের মতোই পান করতে হবে। একটা পাত্রে কিছুটা পানীয় জল, একটা অর্গানিক কলা, এক চিমটে দারুচিনি গুঁড়ো দিয়ে দিন। এবার কলার দুপ্রান্তের কিছুটা কেটে ফেলে দিন। কলা টুকরো টুকরো করে কেটে পাত্রে রাখা পানি দিয়ে ১০ মিনিট ধরে ফোটান। কিছুক্ষণ রেখে জলটা ছেকে নিন। চায়ের কাপে নিয়ে এর মধ্যে এক চিমটে দারুচিনি গুঁড়ো মিশেয়ে গরম গরম খেয়ে বিছানায় শুতে যান। সেদ্ধকরা কলার টুকরো না-ফেলে সেটিও দারুচিনি গুঁড়ো মিশেয়ে খেয়ে নিতে পারেন। এতে কাজ আরও ভালো হবে। অকারণ অপচয় না-করাই ভালো। শোবার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফল টের পাবেন। অর্থাৎ ঘুম আসবে হুড়মুড়িয়ে।

ঈদে রূপচর্চা ৩ ফেসপ্যাকেই উজ্জ্বল ত্বক

ইরে বের হলেই রোদ ও ধুলাবালির অত্যাচার সহ্য করতে হয় প্রতিদিন। এছাড়া মাসজুড়ে রোজা রাখার ক্লান্তি তো রয়েছেই। এসবে ত্বক হয়ে পড়ে অনুজ্জ্বল। ঈদের দিন ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ঘরে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ঘরোয়া ফেসপ্যাকে উজ্জ্বল ত্বক আদা ও মধু এক টুকরা আদা পিষে ১ চা চামচ মধু মেশান। ভালো করে আদা-মধুর পেস্ট তৈরি করুন। মিশ্রণটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবু ও চিনি সমপরিমাণ চিনি ও লেবু একসঙ্গে মেশান। মিশ্রণটি ত্বকে ঘষে ঘষে লাগান। মরা চামড়া দূর হয়ে উজ্জ্বল হবে ত্বক। ১০ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কমলার রস কমলার রসে তুলার বল ডুবিয়ে ত্বকে লাগান চেপে চেপে। ২৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
 
Support : Creating Website | Jibon Template | bj Template
Copyright © 2013. সুন্দর বাংলা - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by bj Template
Proudly powered by Blogger